
পলাতক আওয়ামী লীগ নেতারা বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন অপতৎপরতা শুরু করার জন্য একটি নতুন নীলনকশা হাতে নিয়েছে। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জনরোষ থেকে বাঁচতে তারা এখন চোরাগোপ্তা হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে।
গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, দেশের অন্তত ৫০টি ইউনিটে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নতুন পকেট কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। ভারতের ইন্ধনে তারা ঝটিকা মিছিল ও পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিপ্লব পরবর্তী সময়ে এই নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন অপতৎপরতা রুখতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করার পরামর্শ দিয়েছে। তারা মনে করে, আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া বর্তমানে রাষ্ট্রের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে।
চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক থেকে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন ক্যাডারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ দূরত্বকে পুঁজি করে ক্যাম্পাসগুলোতে অস্থিরতা তৈরির ছক কষছে ফ্যাসিবাদী শক্তি। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
Published by AjkerNewsBD
Source: AjkerNewsBD