
সাম্প্রতিক সময়ে খুলনার অকেজো সিসি ক্যামেরা এর সুযোগ নিয়ে মহানগরীতে অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ১৮৪টি ক্যামেরার তিন-চতুর্থাংশই এখন নষ্ট।
নগরীতে খুন, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। অথচ জননিরাপত্তার জন্য স্থাপিত ক্যামেরাগুলো এখন কেবল জড়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
মূলত খুলনার অকেজো সিসি ক্যামেরা অপরাধীদের শনাক্ত করার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রমাণের অভাবে অনেক অপরাধী সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে।
কেএমপি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ১১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ৬০টিরও বেশি চুরির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
ঢাকার আধুনিক এআই ক্যামেরার বিপরীতে খুলনার এই স্থবিরতা অত্যন্ত দুঃখজনক। রাজধানীতে বর্তমানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের নামে মামলা হচ্ছে।
খুলনার বাসিন্দারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্যামেরা বসিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করছেন। সরকারি নজরদারি না থাকায় তারা প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ জানায়, ডিজিটাল নজরদারি ছাড়া আধুনিক যুগের অপরাধ দমন করা প্রায় অসম্ভব। সিসি ক্যামেরা সচল থাকলে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হতো।
নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অবিলম্বে নষ্ট ক্যামেরাগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। স্মার্ট সিটি গড়তে হলে খুলনাকেও আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনতে হবে।
Published by AjkerNewsBD