নতুন সরকারের তিন মাস পূর্ণ হতে চললেও খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের কারণে উদ্বেগ কমেনি।
সম্প্রতি খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, হামলা ও গুলির ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়েছে। সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চলছে।
সম্প্রতি সোনাডাঙ্গায় এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় মানুষ শঙ্কিত।
ফুটপাত, বাজার ও পরিবহন খাতে গোপনে চাঁদাবাজি ও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতাও বেশ উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।
বিভিন্ন এলাকায় উঠতি বয়সী তরুণদের গ্রুপভিত্তিক সংঘর্ষ, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রাতের বেলায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
পুলিশের টহল বাড়ানো হলেও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, অপরাধচক্র ভাঙতে হলে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত অভিযান এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অপরাধীদের দৃশ্যমান শাস্তি না হলে স্বস্তি আসবে না।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
