খালেদা জিয়ার নামে টিটিসির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নাকচ করলেন তারেক রহমান
খালেদা জিয়া নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (কেটিটিসি) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব মঙ্গলবার ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন ২০২৬) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাঠানো একটি সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থাপন করা হয়। সেখানে কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ করার অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালাহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবটি অনুমোদন করেননি। বরং তিনি একটি নীতিগত নির্দেশনা দিয়েছেন। খালেদা জিয়া নাম পরিবর্তন বিষয়ে তার অবস্থান হলো, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের নাম অপরিবর্তিত রাখতে হবে।
প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রয়োজন হলে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা যেতে পারে। তবে পুরোনো প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করা হবে না। এই নীতিগত অবস্থান ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা হবে। প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে নাম পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন প্রকল্প বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত নাম ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। নাম অপরিবর্তিত থাকায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে।
প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হলো দেশের যুবসমাজকে কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করা। এর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নতুন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নামকরণের সুযোগ থাকলেও বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম পরিবর্তনে সরকারের অনাগ্রহ প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।
সম্পর্কিত সংবাদ:
https://ajkernewsbd.com/category/national/
আরও পড়ুন:
https://bmets.gov.bd/
https://probashi.gov.bd/
Published by AjkerNewsBD

Leave a Reply