নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও পণ্যের দাম খুলনায় আকাশচুম্বী

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও পণ্যের

ঈদুল আযহার বাকি আর মাত্র আট দিন। এরই মধ্যে খুলনায় চাল, ডাল, তেল, মাংস ও মসলাসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও পণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।

বাজারদর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামত দাম বাড়াচ্ছেন। ফলে তীব্র বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মূলত মিলার ও অসাধু চক্রের কারসাজিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও পণ্যের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

খুচরা বাজারে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে চালের মূল্য কেজিপ্রতি অন্তত তিন টাকা এবং মশুর ডালের দাম আট থেকে দশ টাকা বেড়েছে।

সবজির পাইকারী বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দামের ব্যবধান আকাশ-পাতাল। পাইকারীতে আদা ১৯০ টাকা হলেও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়।

কাঁচামরিচ, বেগুন, পটল ও পেঁপেসহ সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে অন্তত ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

মুরগির বাজারেও একই অবস্থা। প্রতিকেজি ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

লেয়ার মুরগির ডিম হালিপ্রতি ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৭২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকা কেজি দরে।

ভোজ্য সয়াবিন তেলের বাজারে কয়েক মাস ধরেই অস্থিরতা চলছে। খুচরা বাজারে প্রতি লিটার তেল ১৯৬ থেকে ১৯৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে এলাচ, দারুচিনি ও লবঙ্গসহ সব ধরনের মসলার দাম। কেজিতে এলাচ ঠেকেছে ৫ হাজার ২০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, মিল মালিকরা ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে আড়তে চাল সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় বাজার আরও বেশি উত্তপ্ত হয়েছে।

Translate »