মহান মে দিবস ২০২৬: শ্রমিকের অধিকার ও সংগ্রামের ইতিহাস

আজ পহেলা মে, বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস ২০২৬। ১৮৮৬ সালে শিকাগোর হে মার্কেটে শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে অনেক শ্রমিক হতাহত হন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশে আজ জাতীয় ছুটির দিন। ১৮৮৬ সালের সেই আন্দোলন পরাধীনতার শিকল ভেঙেছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমজীবী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি অধিকার আদায়ে জীবন দেওয়া বীর শ্রমিকদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন মে দিবসকে অধিকার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবোজ্জ্বল দিন বলেছেন। শ্রমের উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করাই এই দিবসের মূল অঙ্গীকার। মেহনতি মানুষের শোষণমুক্তির শপথ নেওয়ার দিন আজ। বিশ্ব অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে শ্রমিকের অবদান অনস্বীকার্য। পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবসও আজ পালন করা হচ্ছে।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহান মে দিবস ২০২৬ একটি মাইলফলক। দেড় শতাব্দীর বেশি সময় ধরে এই দিনটি প্রেরণা জোগাচ্ছে। শিকাগোর সেই দাবানল আজও শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষায় সজাগ রাখে। বর্তমান সরকার শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পরাধীনতা থেকে মুক্তির প্রতীক হিসেবে মে দিবস পালিত হয়। সুস্থ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। দেশের প্রতিটি প্রান্তে বীর শ্রমিকদের ত্যাগের কথা স্মরণ করা হচ্ছে। নব প্রভাতের স্বপ্নে বিভোর আজ সারা বিশ্বের মেহনতি মানুষ। এই দিনটি শ্রম ও ঘামের সঠিক মূল্যায়নের অঙ্গীকার করে।

Translate »