
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কালে পাঁচজনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার ভোরে খোলপেটুয়া নদীর নওয়াবেকি পয়েন্টে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হুসাইন এই অভিযান পরিচালনা করেন। আটককৃতরা আশাশুনি ও পাইকগাছা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। নদী থেকে বালু তোলার সময় তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান প্রশংসা পেয়েছে। নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বজায় রাখা হবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আক্তারুল গাজী নামে একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি চারজন অপরাধ স্বীকার করায় তাঁদের নগদ জরিমানা করা হয়েছে। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে এই শাস্তি প্রদান করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় নিশ্চিত করেছেন। নজরুল ইসলাম, সজীব শেখ ও ইব্রাহিমসহ পাঁচজন এতে অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ ও প্রশাসনের যৌথ তৎপরতায় এই অভিযান সফল হয়। সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আক্তারুলকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
শ্যামনগরে নদীর তীরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কালে জেল ও জরিমানার ঘটনাটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। প্রশাসন জানায় যে জনস্বার্থে এমন ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বাকিদের থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। খোলপেটুয়া নদীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিচার নিশ্চিত করায় জনমনে স্বস্তি ফিরেছে। জেলহাজতে প্রেরিত ব্যক্তির নাম আক্তারুল গাজী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।