
যশোরের শার্শায় তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে সম্রাটকে আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে ফুল তুলতে গেলে এই ঘটনা ঘটে। নির্জন স্থানে একা পেয়ে সম্রাট শিশুটিকে জোরপূর্বক পাশের মাঠে নিয়ে যায়। শিশুটির চিৎকার শুনে শাহানারা খাতুন নামে এক নারী দ্রুত এগিয়ে আসেন। ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্ত সম্রাট ওই নারীর পায়ে ধরে ক্ষমা চায়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সম্রাটকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে।
ওসি মারুফ হোসেন জানান যে ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। শিশুটিকে বর্তমানে প্রয়োজনীয় পারিবারিক ও আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়রা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অপরাধীদের দমনে এলাকায় পুলিশি টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। আদালত অভিযুক্ত সম্রাটের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এমন অপরাধ রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
শার্শায় এক স্কুল স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার দায়ে অভিযুক্তকে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেন সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। অভিযুক্ত যুবক সম্রাট শার্শা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পুলিশ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামিকে চালান দিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখছে। সমাজ থেকে এমন ব্যাধি দূর করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। পুলিশ যেকোনো ধরণের নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে বদ্ধপরিকর। অপরাধীর কঠোর সাজা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে।