কেডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম : কেডিএ-র বড় দায়িত্ব পেলেন বিএনপি নেতা মনা
কেডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা (গ্রেড-২) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারিকৃত এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। এই শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার প্রশাসনিক দায়িত্বে আগমন খুলনা অঞ্চলের উন্নয়ন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মোড় নিয়ে এসেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন ও নিয়োগের শর্তাবলী
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম-কে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শর্ত অনুযায়ী, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ হতে আগামী ১ (এক) বছর মেয়াদে তিনি কেডিএ’র চেয়ারম্যান পদে চুক্তিবিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। মূলত এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের পর থেকেই কেডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনাকে নিয়ে নগরবাসীর প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে।
খুলনার আধুনিকায়নে কেডিএ’র ভূমিকা ও আগামী দিনের লক্ষ্য
উল্লেখ্য, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান৷ পরিকল্পিত নগরায়ন ও আধুনিক খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ১৯৬১ সালের ২১ জানুয়ারি এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি হয়৷ সূচনালগ্ন হতেই প্রতিষ্ঠানটি নগর পরিকল্পনা, সুষম উন্নয়ন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে৷
আবাসন সমস্যার সমাধান, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি, যানজট নিরসন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতরকরণ ইত্যাদি নাগরিক সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে কেডিএ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। এ পর্যন্ত সংস্থাটি ৫০টিরও বেশি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সাফল্যের সাথে বাস্তবায়ন করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা জানতে আপনারা খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (KDA) এর অফিসিয়াল পোর্টালে চোখ রাখতে পারেন। নতুন চেয়ারম্যানের দক্ষ নেতৃত্বে এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানটি খুলনার উন্নয়নে আরও গতিশীল হবে বলে সচেতন মহল আশা প্রকাশ করছেন।
