শরীয়তপুরের চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামীকে হত্যার পর টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে আসমা আক্তার নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। তিন দিন পর ফ্রিজে মাংস রাখার সময় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নারী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। নিহত জিয়া সরদার প্রবাসী ছিলেন এবং এটি তাদের দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।
মূলত দাম্পত্য কলহের জেরে গত ১২ মে রাতে আসমা তার স্বামীকে হত্যার পর টুকরো করে লাশ ড্রামে ভরে রাখেন। পরে মরদেহের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।
নিহতের চার হাত-পা নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাংসের অংশগুলো আসমা তার পুরনো বাসার ফ্রিজে রাখতে গিয়েছিলেন।
সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানান। পুলিশ এসে আসমাকে তাৎক্ষণিক আটক করে।
আসমা আক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি পুকুর থেকে নিহতের মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পালং মডেল থানার ওসি জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো সহযোগী জড়িয়ে রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
Published by AjkerNewsBD

Leave a Reply