
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটে অর্থনীতি, রাজনীতিতে বাড়ছে অস্থিরতা। দেশ বর্তমানে জ্বালানি ও অর্থনীতির এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। জ্বালানি সংকট দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বর্তমান সরকার ইতিহাসের এক অত্যন্ত কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছে। ইরানের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি খাতে বিশাল অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সরকার বিশাল ভর্তুকি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি টিকিয়ে রাখা কঠিন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ইতোমধ্যে বড় ধরণের চাপের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে সহায়তা চাওয়া হলেও ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পর্যাপ্ত মজুতের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে জনভোগান্তি চরমে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছে না। সরকারের বক্তব্য ও বাস্তবতার অমিল জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে গ্রামগঞ্জে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং চলছে।
কৃষি ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় অর্থনীতি চাপে পড়ছে। বিরোধী দলগুলো জনঅসন্তোষকে পুঁজি করে রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট মিলে বড় অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। সরকারের উচিত জনগণের সাথে সরাসরি সংযোগ এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী ট্যাংকার আসা সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ছাড় পাওয়া ইতিবাচক দিক।
তবে সংকট উত্তরণে এখন সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
Published by AjkerNewsBD
Source: AjkerNewsBD