চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা করেছেন।
বুধবার দিবাগত রাতে কুন্দিপুর গ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৪ এপ্রিল মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে এই পাশবিকতার শিকার হয় কিশোরীটি।
অভিযুক্ত মিরাজ জোরপূর্বক মেয়েটিকে পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পলাশ নামের অপর এক আসামি ধর্ষণের এই পুরো ঘটনাটি নিজের মুঠোফোনে গোপনে ধারণ করে।
জনি নামের আরেক আসামি সেই সময় ভুট্টা ক্ষেতের বাইরে সতর্ক পাহারা দেয়।
অভিযুক্তরা ঘটনাটি কাউকে না বলতে কিশোরী ও তার পরিবারকে অনবরত ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল।
এর কয়েকদিন পরেই আসামিদের মুঠোফোন থেকে মেয়েটির ভিডিওটি বিভিন্ন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগীর পরিবার বিষয়টি জানতে পারলে পলাশ নামের ওই আসামি ভিডিও ডিলিট করতে টাকা দাবি করে।
সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে আব্দুল আলী নামের আরেক ব্যক্তিও ৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভিডিও ছড়ানোর বিষয়টি পুলিশের নজরে আসার পরপরই দ্রুত অভিযান চালানো হয়।
বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করার পাশাপাশি আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এ ঘটনার মূল পলাতক অভিযুক্ত মিরাজকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
