বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত শফিকুল আলম: খুলনায় ফেরার পর নেতাকর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা
বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত শফিকুল আলম তুহিন ভোটের লড়াইয়ে বিশাল জয়ের পর প্রথমবার খুলনায় পা রেখেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) খুলনায় পৌঁছালে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। এর আগে গত রোববার (৭ জুন) রাজধানীর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এই বহুল প্রতীক্ষিত পরিচালক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে পরিচালক নির্বাচিত হন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী শফিকুল আলম তুহিন।
খুলনার ক্রীড়াঙ্গনের গৌরব ও নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
খুলনায় ফেরার পর মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন থানা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাকে অভিনন্দন জানান এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় মহানগর বিএনপি, সদর থানা বিএনপি, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি, মহিলা দল এবং মহানগর বিএনপি মিডিয়া ও দপ্তর সেলসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নেতাকর্মীরা বলেন, শফিকুল আলম তুহিনের দীর্ঘদিনের ক্রীড়াসংগঠক হিসেবে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ক্রিকেটের প্রতি আন্তরিকতা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিসিবির পরিচালক হিসেবে তাঁর নির্বাচিত হওয়া খুলনার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তাঁর হাত ধরে জাতীয় পর্যায়ে খুলনার ক্রিকেট আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে এবং নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য সুযোগের পরিধি অনেক বাড়বে। এই জয়ের মাধ্যমে মূলত বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত শফিকুল আলম তুহিন খুলনাবাসীর দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটাবেন বলে সবাই আশা প্রকাশ করেন।
তৃণমূল ক্রিকেটের উন্নয়নে নবনির্বাচিত পরিচালকের বড় ঘোষণা
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিসিবির কাউন্সিলর চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবীর এবং সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনিসহ আরও অনেকে।
ফুলের শুভেচ্ছার জবাবে নবনির্বাচিত বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন,
“বিসিবির পরিচালক পদে এই বিজয় আমার একার নয়, এই গৌরব সমগ্র খুলনাবাসীর। বিগত দিনে খুলনার ক্রীড়াঙ্গন যেভাবে অবহেলিত হয়েছে, সেই বৃত্ত ভেঙে জাতীয় পর্যায়ে আমাদের ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই হবে আমার মূল লক্ষ্য। নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য একটি সুপরিকল্পিত ও বৈষম্যহীন ক্রিকেট কাঠামো গড়ে তুলতে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
ক্রিকেটের সার্বিক উন্নয়ন ও তৃণমূলের বিকাশে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও ক্রীড়াপ্রেমী সাধারণ মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ঘরোয়া লিগের বিস্তারিত তথ্য জানতে আপনারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এর অফিসিয়াল পোর্টালে চোখ রাখতে পারেন।
