খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাতটায় অনুষ্ঠিত হবে

ঈদের প্রধান জামাত সকাল

খুলনায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে এই বিশেষ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, খুলনায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাতটায় ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় জামাত সকাল আটটায় এবং তৃতীয় ও শেষ জামাত সকাল নয়টায় টাউন জামে মসজিদে হবে।

যদি আবহাওয়া কোনো কারণে প্রতিকূল থাকে, তবে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাতটায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে স্থানান্তরিত হবে।

এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পৃথক পৃথক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সার্কিট হাউস ময়দান ও টাউন জামে মসজিদে নারীদের জন্য পর্দা রক্ষা করে আলাদা নামাজের ব্যবস্থা থাকবে।

ঈদের দিন সকল সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি ভবনে সঠিক নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা এবং ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার দ্বারা সজ্জিত করা হবে।

সড়ক ও নৌপথে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল বৃদ্ধি করবে।

মহাসড়কে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সব ধরনের ভারী ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি নৌপথে ২৭ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত বালুবাহী বাল্কহেড বা নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।

ঈদের দিন দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, এতিমখানা ও কারাগারে উন্নতমানের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।

নামাজের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ডিপিডিসি ও ওজোপাডিকো কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ঈদ আনন্দ উপভোগ করা আবশ্যক।

ঈদের আনন্দ উদযাপনে সড়কে যেন কোনো যানজট সৃষ্টি না হয়, সেদিকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডলসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Translate »