
খুলনা নগরীতে বুধবার সকালে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকালের মাঝারি বৃষ্টিতেই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো হাঁটুসমান পানির নিচে তলিয়ে যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর ওইদিন খুলনায় ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। বৃষ্টির পানি অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে মালামাল নষ্ট করে দিয়েছে। কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আগামী দুই দিন এমন বৈরি আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নাগরিক ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।
নগরীর রয়েল মোড় ও মুজগুন্নি এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা উঁচু করার প্রকল্পগুলো এখন প্রশ্নের মুখে। টেকসই সমাধানের জন্য সমন্বিত নগর পরিকল্পনা জরুরি হয়ে পড়েছে। ময়লা ও পলি জমে ড্রেনগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নর্দমার নোংরা পানি রাস্তায় চলে আসে। রিকশা ও ইজিবাইক চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে। এই সংকট মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া এখন নিয়মিত ঘটনা। নিয়মিত নালা পরিষ্কার না করায় পানি নামতে দেরি হচ্ছে। ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। অনেক এলাকায় ড্রেনের সংস্কার কাজ চললেও সুফল মিলছে না। খুলনা নগরীর নিচু এলাকাগুলো এখন পানির নিচে রয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনে বড় পাম্প ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃষ্টি থামার কয়েক ঘণ্টা পরও অনেক রাস্তায় পানি জমে থাকে। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়া এই মুক্তি সম্ভব নয়।