
খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার প্রতিবাদে আজ সকালে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পেশাজীবী সাংবাদিকরা ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে এই নক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করেন। গত ২৬ এপ্রিল কিছু সন্ত্রাসী ক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করে। তারা আগামী ৩০ এপ্রিলের নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় সাংবাদিকরা আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দোষীরা যে দলেরই হোক তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দল থেকে বহিষ্কার ও দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। মানববন্ধনে প্রবীণ ও তরুণ সাংবাদিক নেতারা বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। কাজী মোতাহার রহমান বাবু ও শেখ দিদারুল আলমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পেশাজীবী সাংবাদিকরা ক্লাবে এই সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার প্রতিবাদে রাজপথে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায়ও তারা রাস্তা বন্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে ইতোমধ্যে কয়েকজন চিহ্নিত হয়েছে বলে জানা গেছে। নির্বাচন সামনে রেখে এমন হামলাকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলছে সাংবাদিক সমাজ। দ্রুত আইনি পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। খুলনার সকল সাংবাদিক সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এখন অপরাধীদের বিচারের অপেক্ষায় আছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।