সুন্দরবনে বনদস্যু বাহিনীর তৎপরতা শুরু: আতঙ্কে উপকূলবাসী

সুন্দরবনে আবারও নতুন করে বনদস্যু বাহিনীর তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। ২০১৮ সালে দস্যুমুক্ত ঘোষণার পর বর্তমানে বনের পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত। পুনর্বাসনের অভাব এবং মামলার চাপে অনেকে পুরোনো পথে ফিরছেন। আত্মসমর্পণকারী দস্যুরা এখন চরম অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। মামলার খরচ মেটাতে গিয়ে তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ফলে বনাঞ্চলে আবারও দস্যুতার কালো ছায়া উঁকি দিচ্ছে।

বর্তমানে সুন্দরবনের গভীরে বেশ কিছু নতুন বাহিনী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কোস্টগার্ড গত দেড় বছরে অন্তত ৬১ জন দস্যুকে আটক করেছে। এদের মধ্যে আত্মসমর্পণকারী অনেক দস্যুর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে। ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শীল্ড’-এর মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। জেলেরা এখন বনে প্রবেশ করতে নতুন করে ভয় পাচ্ছেন।

পুরোনো এবং নতুন মিলিয়ে বনদস্যু বাহিনীর তৎপরতা শুরু হওয়ায় উপকূলীয় মানুষ উদ্বিগ্ন। সরকার ৩ মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সুজন প্রতিনিধিরা মনে করেন, দ্রুত পুনর্বাসন না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কঠোর অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বনদস্যুদের দমনে প্রশাসন এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

Translate »