রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে তৎপর অমিত শাহ: পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২৬

নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে তৎপর হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। আগামী ৪ মে ফল ঘোষণার পর অমিত শাহ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। ২০২১ সালের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দুই মাস মোতায়েন থাকবে। তৃণমূলের ‘দুষ্কৃতকারীদের’ কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কর্মীদের বিজয়োৎসবের নামে হিংসা এড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে দল আত্মবিশ্বাসী এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি।

২০২১ সালের নির্বাচনে ফল প্রকাশের পর রাজ্যে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। বিজেপির দাবি অনুযায়ী সেই সময় তাদের অনেক কর্মী নিহত ও ঘরছাড়া হন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসও তাদের কর্মীদের ওপর হামলার পাল্টা দাবি করে। বীরভূমের মতো ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে এবার বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের প্রতিশোধমূলক মনোভাব ঠেকানোই এখন বিজেপির বড় চ্যালেঞ্জ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও নির্বাচনের ফল নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টাহুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছেও নিরাপত্তা চাওয়া হবে। বিজেপি চায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক সহিংসতার সংস্কৃতি চিরতরে মুছে ফেলতে।

বিজেপি চায় যেকোনো মূল্যে রাজ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে তৎপর থাকতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই আগেই এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। ভুপেন্দ্র যাদব ২ মে কলকাতায় পৌঁছে পরিস্থিতি তদারকি করবেন। সুনীল বনশল আগামী দু’দিনে দলীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করবেন। কর্মীদের বার্তা দেওয়া হবে যে বিজেপি কোনো ধরণের হিংসায় বিশ্বাস করে না। জয় বা পরাজয় যাই হোক, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সাধারণ মানুষের কাছে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়াই দলের মূল লক্ষ্য। নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক, কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।

Translate »