নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন: সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। শনিবার বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা করেন। সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলো ভার্চুয়ালি এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যেই মূলত এই নতুন ক্রীড়া প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে আসা ৩২ জন দেশসেরা খেলোয়াড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতেই সরকার এই বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য ইতিমধ্যে বিশেষ ক্রীড়া কার্ড ও ভাতার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের আগামীর তারকা খুঁজে বের করতে এই প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ক্রীড়াঙ্গনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৭৬ সালে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ এখন মাঠের লড়াইয়ে নতুন রূপ পেয়েছে। প্রতিভা অন্বেষণের এই ধারা সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। দেশসেরা ক্রিকেটার, ফুটবলার এবং কাবাডি খেলোয়াড়রা খুদে অ্যাথলেটদের উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। সিলেটের জেলা স্টেডিয়ামে এই আয়োজনে খুদে ক্রীড়াবিদদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। সরকারের এই উদ্যোগকে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে এক মাইলফলক। ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় আধুনিক ক্রীড়া সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। খুদে অ্যাথলেটরা এখন থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা মেধাগুলো এই মঞ্চের মাধ্যমে বিকশিত হবে। ৩২ জন নামী খেলোয়াড়ের উপস্থিতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান যে স্পোর্টস এখন দেশ গড়ার পরিকল্পনার অংশ। ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দেশের সব প্রান্তের অ্যাথলেটরা এই উৎসবে অংশ নেন। প্রতিভা অন্বেষণের এই মহাযজ্ঞ সফল করতে কাজ করছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আধুনিক ও পেশাদার ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

Translate »