জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি: খুলনায় হামের প্রকোপ বাড়ছে

খুলনা জেলায় মহামারি প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বর্তমানে পাইকগাছা উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অতি গরমে ভ্যাকসিনের গুণগত মান নিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ শঙ্কিত। জেলায় এ পর্যন্ত ২০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হাম সন্দেহে দিঘলিয়া উপজেলায় এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। লক্ষ্যমাত্রার ৪৩ শতাংশ শিশুকে ইতিমধ্যে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে সহযোগিতা করছে। গরমে টিকা নষ্ট হলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অর্ধেক কমে যেতে পারে। তবে জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকার ভায়াল মজুত রয়েছে। একজন শিশু আক্রান্ত হলে ১২ থেকে ১৮ জন সংক্রমিত হতে পারে। স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত বাকি শিশুদের টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। বিশেষ এই ক্যাম্পেইনটি মোট চার সপ্তাহ ধরে চলবে। আগামী ২০ মে পর্যন্ত কেসিসি এলাকায় এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। ১৫ মার্চ থেকে জেলায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায়।

খুলনার শিশুদের সুরক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি সফল করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সিভিল সার্জন ডাঃ মাহফুজা খাতুন সংবাদ সম্মেলনে এই গুরুত্ব তুলে ধরেন। দাবদাহের কারণে টিকার কার্যকারিতা রক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৯০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। অভিভাবকদের উদ্বেগ নিরসনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সব ধরনের তথ্য প্রদান করেছেন। দেশের অন্যান্য স্থানে টিকা দেওয়ার পরেও সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে সবাই আশাবাদী।

Translate »