
রাজধানীর নিউমার্কেটে সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আজ সকালে নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেন। শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর গত আগস্টে মুক্তি পেয়েছিলেন। তিনি বছিলা গরুর হাটের ইজারা নিয়ে অন্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ান। পিচ্চি হেলাল ও কিলার বাদলের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। গত মঙ্গলবার রাতে শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০১ সালে সরকারের ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তাঁর নাম ছিল।
নিউমার্কেট থানার পুলিশ জানায় যে অজ্ঞাত ৮-৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। টিটনের বড় ভাই এজাহারে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে বিবরণ দিয়েছেন। তিনি জানান যে টিটন নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছিলেন। তবে হাটের ইজারা নিয়ে ঝামেলায় তাঁকে জীবন দিতে হয়েছে বলে ধারণা। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত ও আসামিদের শনাক্ত করতে মাঠে নেমেছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের গতিপথ শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এলাকাটিতে এখন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশি তদন্তে সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বের করা হচ্ছে। এজাহারে উল্লিখিত সন্দেহভাজনদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে গোয়েন্দা পুলিশ। নিহতের ভাই জানান যে টিটন সমঝোতার জন্য ডেকে নিয়ে গিয়ে মারা হয়েছে। বছিলা পশুর হাটের শিডিউল কেনা নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটেছিল। আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। শাহনেওয়াজ হলের সামনের সিসিটিভি ফুটেজ এখন পুলিশের প্রধান আলামত। মামলার এজাহারে শাহজাহান ও রনি নামে আরও কয়েকজনের নাম এসেছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে ডিএমপি।