
খুলনায় খুলনা চিকিৎসক প্রতিবাদ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবীণ চিকিৎসক নেতাকে অপদস্থ করা এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় চিকিৎসকেরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) মানববন্ধন করে তারা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেন।
বেলা ১১টায় নগরীর বিএমএ ভবনের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। মানববন্ধনে চিকিৎসকেরা অভিযোগ করেন, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতা আলী আজগর লবীর নেতৃত্বে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে অনিয়ম ও হামলার ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, গত ১৩ এপ্রিল বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলে ড্যাব খুলনা জেলা সভাপতি ডা. রফিকুল হক বাবলুর সঙ্গে অসদাচরণ করা হয় এবং তাকে অপমান করা হয়। এ সময় তাঁকে পদত্যাগে চাপ দেওয়া হয় এবং ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে দিয়ে নতুনভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে খুলনা চিকিৎসক প্রতিবাদ শুরু হয়।
চিকিৎসক নেতারা দাবি করেন, হামলায় জড়িত বিএনপি নেতা মীর কায়েসেদ আলী, শেখ ইকবাল হোসেন, কাজী মিজানুর রহমান ও মোল্লা সোহাগ হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
তারা আরও বলেন, ডা. রফিকুল হক বাবলুকে অবিলম্বে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহাল করতে হবে এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
ড্যাব নেতারা সতর্ক করে বলেন, ২১ এপ্রিলের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে খুলনার সব চিকিৎসক জরুরি চিকিৎসা ছাড়া কর্মবিরতিতে যাবে।
নেতৃবৃন্দ জানান, চিকিৎসা খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।