
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি কলকারখানা চালুর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে বড় ঘোষণা দিয়েছেন। মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বন্ধ কলকারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। বেকার শ্রমিকদের দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এই লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে সরকার ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছে। নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে দেশের লাখ লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে বলে তিনি জানান।
তারেক রহমান হকারদের পুনর্বাসন নিয়ে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। যানজট নিরসনে হকারদের রাস্তা থেকে সরানো হলেও তাদের জীবিকার কথা ভাবছে সরকার। উচ্ছেদের পাশাপাশি তাঁদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে তিনি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচিত সরকার অবশ্যই সাধারণ মানুষের খেয়ে-পরে বাঁচার নিশ্চয়তা দেবে। কৃষকদের উন্নয়ন ও শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব দূর করাই বর্তমান প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার পর্যায়ক্রমে সব দাবি পূরণ করবে।
সরকারের এই কলকারখানা চালুর বিশেষ উদ্যোগ মেহনতি মানুষের মনে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল করতে শিল্প খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। হকার ভাইদের জন্য স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলে তিনি জানান। শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন আরও সহজ হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান। আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে শ্রমিক ও কৃষকের অবদানকে তিনি বড় করে দেখছেন।